শহরমুখী পূজো উদ্যোক্তাদের ভিড়ে অবহেলিত গ্রামীণ প্রতিমা শিল্পীরা।
উত্তরের
হাওয়া, ৪ সেপ্টেম্বরঃ দুর্গাপূজার ঢাক বাজতে আর মাত্র একদিন বাকি। এরই মধ্যে শহরের কুমোরটুলিগুলিতে চলছে দিনরাত ব্যস্ততা—অর্ডারের চাপে নাওয়া-খাওয়া ভুলে মূর্তি গড়ছেন শিল্পীরা। কিন্তু একই সময়ে দিনহাটার সীমান্ত গ্রাম চৌধুরীহাটের কুমোরটুলিতে ছড়িয়ে আছে একরাশ নিরবতা। কারণ—এবারও দুর্গা প্রতিমার বরাত মিলছে না স্থানীয় মৃৎশিল্পীদের।
শিব, মনসা কিংবা গৃহপূজার ছোট প্রতিমার কাজ কিছুটা হলেও মিলছে। কিন্তু দুর্গাপূজার মূল প্রতিমার অর্ডার কার্যত শূন্য। ফলে ভরা মরশুমেও চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন শিল্পীরা।
চৌধুরীহাটের মৃৎশিল্পী পবিত্র পাল জানালেন, “গত বছর যত অর্ডার হয়েছিল, এ বছর তার অর্ধেকও নেই। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া, কিন্তু প্রতিমার দাম বাড়ছে না। গ্রামবাংলার প্রতিমার কোনও কদরই থাকছে না।”
প্রতি বছর দুর্গাপূজার অর্ডারের ওপরেই ভরসা রাখেন গ্রামীণ কুমোররা। কিন্তু অর্ডার না মেলায় রুটি-রুজির টানাপোড়েন প্রকট হচ্ছে। ভরা মরশুমে অবহেলিত এই শিল্পীদের চোখে তাই শুধু একটাই প্রশ্ন—“গ্রাম বাংলার প্রতিমার কদর কি আর কখনও ফিরবে?”
No comments:
Post a Comment