Friday, February 27, 2026

দিনহাটায় উত্তরবঙ্গ যোগাসনের মহাযজ্ঞ, ছয় শতাধিক প্রতিযোগীর সমাগমের আশা।

দিনহাটায় উত্তরবঙ্গ যোগাসনের মহাযজ্ঞ, ছয় শতাধিক প্রতিযোগীর সমাগমের আশা।  

উত্তরের হাওয়া, ২৮ ফেব্রুয়ারি: উত্তরবঙ্গের ক্রীড়া মানচিত্রে বড় আয়োজন। “সারা উত্তরবঙ্গ ট্রাডিশনাল যোগাসন ও রিদিমিক যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপ” অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, দিনহাটা-র স্থানীয় মহামায়া পাটে। আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে মহামায়া পাট ব্যায়াম বিদ্যালয়।



এই প্রতিযোগিতা পরিচালনা করছে কোচবিহার জেলা ও উত্তরবঙ্গ যোগ কালচার সংস্থা এবং নির্দেশনায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য যোগ কালচার সংস্থা।

উত্তরবঙ্গের প্রায় সবকটি জেলা— মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলা দল অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিভাগেও বহু প্রতিযোগী নাম নথিভুক্ত করেছেন।



আয়োজক সংস্থার কর্ণধার ও সেক্রেটারি জেনারেল বিভুরঞ্জন সাহা জানান, এবারের আসর উত্তরবঙ্গ যোগাসন প্রতিযোগিতার ষষ্ঠতম সংস্করণ। প্রায় পাঁচ থেকে ছয় শতাধিক প্রতিযোগী-প্রতিযোগিনীর অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে।



এছাড়াও কলকাতা থেকে রাজ্য সংস্থার সম্পাদক পলাশ সরকার সহ চারজন জাতীয় বিচারক উপস্থিত থাকবেন। ফলে উত্তরবঙ্গের এই বৃহৎ যোগাসন প্রতিযোগিতা ঘিরে ইতিমধ্যেই ক্রীড়ামহলে উৎসাহ তুঙ্গে।

Thursday, February 26, 2026

SIR-এর চূড়ান্ত তালিকায় কত লক্ষের নাম বাদ? ক্যাটেগরি-ভিত্তিক নাম প্রকাশ করবে কমিশন।

 SIR-এর চূড়ান্ত তালিকায় কত লক্ষের নাম বাদ? ক্যাটেগরি-ভিত্তিক নাম প্রকাশ করবে কমিশন। 



উত্তরের হাওয়া, ২৭ ফেব্রুয়ারি: নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ নাম থাকছে। ইতিমধ্যেই এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।


এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final List) প্রস্তুত। ২৫ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হয়েছে স্ক্রুটিনি। ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ। এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকছে ৭ কোটি ৮ লক্ষের। প্রথমে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটার ছিল। সেখান থেকে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ গেছে। এই ৭ কোটি ৮ লক্ষকে ক্যাটেগরিতে ভাগ করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর। 


নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ নাম থাকছে। ইতিমধ্যেই এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি যাবতীয় তথ্য যাচাইয়ের কাজ 'ফ্রিজ' অর্থাৎ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানা গেছে। এমনকি এই তালিকা ছাপার জন্যও প্রস্তুত। ফলে এবিষয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই যে ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পাচ্ছে। অন্তত নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর। 


এদিকে, প্রায় ৬০ লক্ষ নাম যে এসআইআর খসড়া তালিকা (SIR Draft List) থেকে বাদ গিয়েছিল, তার জন্য প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের কাজ চালাচ্ছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় এই ৭ কোটি ৮ লক্ষকে একাধিক ক্যাটাগরিতে (Category) ভাগ করা থাকবে। একদিকে 'ডিলিটেড' ক্যাটাগরি থাকবে, অন্যদিকে থাকবে 'নিস্পত্তি হয়নি' এমন ক্যাটেগরি। এছাড়া থাকবে 'অ্যাপ্রুভড' ক্যাটেগরি। 



কোন কোন ক্যাটেগরি? 


নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর,


যাঁদের নাম থাকবে তাঁদের নামের পাশে 'অ্যাপ্রুভড' লেখা থাকবে

যাঁদের নাম বাদ যাবে তাঁদের নামের পাশে 'ডিলিটেড' লেখা থাকবে  

যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে 'অ্যাজুডিকেশন' 

এবার অনেকের মনেই প্রশ্ন, যাঁদের নাম এসআইআরের খসড়া তালিকায় ছিল না, যাঁদের এখনও তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে, তাঁরা কি ভোট দিতে পারবেন? নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় তাঁদের নামের পাশে 'নিস্পত্তি হয়নি' বলে উল্লেখ করা থাকবে। এছাড়াও যেদিন ভোট ঘোষণা হবে, যত দফায় ভোট হবে এবং দফা অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ দিন অবধি একটি করে সাপ্লিমেন্ট ভোটার তালিকা আসতে থাকবে। সেক্ষেত্রে এই তালিকাকেই চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হবে, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 


কোথায় দেখবেন এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা?  



নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ডিএম অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনের মতো কমিশন নির্ধারিত একাধিক জায়গায় এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা দেখতে পাওয়া যাবে। এছাড়া ঘরে বসে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকেও এই তালিকা দেখতে পাওয়া যাবে। 


কখন দেখা যাবে?  


অনেকের মনে প্রশ্ন, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা কি ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই দেখতে পাওয়া যাবে? নাকি ২৮ তারিখ রাত ১২টার পর তালিকাটি দেখা যাবে? নির্বাচন কমিশন খুব তাড়াতাড়ি এই বিষয়টিতে আলোকপাত করবে বলে জানা যাচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের সরকার গড়লে বড় সিদ্ধান্ত অমিত শাহের।

পশ্চিমবঙ্গের সরকার গড়লে বড় সিদ্ধান্ত অমিত শাহের। 
উত্তরের হাওয়া, ২৭ ফেব্রুয়ারি: SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করলে প্রথম কাজ হবে সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করা এবং অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া।
শাহ বলেন, “শুধু ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নয়, ভারত থেকে এক একজন করে অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে পাঠানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। অনুপ্রবেশকারীরা দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে, এমনকি গরিব মানুষের রেশনেও ভাগ বসাচ্ছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে অনুপ্রবেশের কারণে জনবিন্যাসে পরিবর্তন হয়েছে। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গে এবছর বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। আমার পূর্ণ বিশ্বাস, এবার বিজেপি সরকার গঠন করবে। সরকার গঠন হলেই প্রথম লক্ষ্য থাকবে সীমান্ত সিল করার কাজ সম্পূর্ণ করা এবং অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দেশের বাইরে পাঠানো।”

SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের প্রাক্কালে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। বিজেপির বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তা ও ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা রক্ষা করাই তাদের অগ্রাধিকার। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি, নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই ইস্যুকে জোরালো করা হচ্ছে।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মন্তব্য যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, তা বলাই বাহুল্য।

৭.৬৬ কোটির থেকে নেমে ৭.০৮ কোটি! SIR তালিকায় বড় ছাঁটাই।

৭.৬৬ কোটির থেকে নেমে ৭.০৮ কোটি! SIR তালিকায় বড় ছাঁটাই।
উত্তরের হাওয়া, ২৬ ফেব্রুয়ারি: SIR চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করবে Election Commission of India
এসআইআর (SIR) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত তালিকা। ইতিমধ্যেই তথ্য যাচাইয়ের কাজ ‘ফ্রিজ’ করা হয়েছে এবং তালিকা মুদ্রণের প্রস্তুতিও সম্পন্ন।
প্রথম খসড়া তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। চূড়ান্ত তালিকায় থাকছে ৭ কোটি ৮ লক্ষ নাম। অর্থাৎ প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এই বাদ পড়া নামগুলি নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও ভোটারদের মধ্যে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত তালিকা ক্যাটেগরি-ভিত্তিক প্রকাশ করা হবে।

যাঁদের নাম বহাল থাকবে, তাঁদের পাশে থাকবে ‘Approved’।

যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের পাশে থাকবে ‘Deleted’।

যাঁদের নথি যাচাই চলছে, তাঁদের ক্ষেত্রে উল্লেখ থাকবে ‘Adjudication’।

যাঁদের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, তাঁদের পাশে লেখা থাকবে ‘নিস্পত্তি হয়নি’।


প্রায় ৬০ লক্ষ নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার পর অনেকে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছেন। সেই নথি যাচাই করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। কমিশনের দাবি, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন, যাঁদের নাম এখনও যাচাই পর্যায়ে রয়েছে, তাঁরা কি ভোট দিতে পারবেন? কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোট ঘোষণার পর দফাভিত্তিকভাবে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। মনোনয়ন জমার শেষ দিন পর্যন্ত তালিকা হালনাগাদ হতে পারে এবং সেই তালিকাকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধরা হবে।

এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা ডিএম অফিস, বিডিও অফিস ও পঞ্চায়েত ভবনসহ নির্দিষ্ট স্থানে দেখা যাবে। পাশাপাশি নির্ধারিত ওয়েবসাইটেও অনলাইনে তালিকা উপলব্ধ থাকবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি কোন সময় থেকে তালিকা দেখা যাবে, সে বিষয়ে শীঘ্রই স্পষ্ট ঘোষণা করবে কমিশন।


Wednesday, February 25, 2026

মেখলিগঞ্জে তৃণমূল-বাম ছেড়ে বিজেপিতে ১৮ পরিবার, জামালদহে গেরুয়া শিবিরে যোগ

 মেখলিগঞ্জে তৃণমূল-বাম ছেড়ে বিজেপিতে ১৮ পরিবার, জামালদহে গেরুয়া শিবিরে যোগ



উত্তরের হাওয়া, ১৫ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটের আগে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হল মেখলিগঞ্জ বিধানসভা- জামালদহ এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেস বামফ্রন্ট ছেড়ে মোট ১৮টি পরিবার এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। এর মধ্যে মেখলিগঞ্জ মণ্ডল--এর ৪৭ নম্বর বুথ থেকে ১৫টি এবং ৪৮ নম্বর বুথ থেকে ৩টি পরিবার গেরুয়া শিবিরে শামিল হন।



নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগত জানান জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক দধিরাম রায়। দলের দাবি, বর্তমান শাসকদলেরচুরি দুর্নীতিরপ্রতিবাদেই এই দলবদল। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের ইচ্ছা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার কনভেনার বিমল রায়, জেলা কমিটির সদস্য পবন কুমার ভাদানী এবং বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন পল্টু বর্মন-সহ একাধিক স্থানীয় নেতৃত্ব। নবাগতদের দাবি, এলাকার উন্নয়ন স্বচ্ছ প্রশাসনের স্বার্থেই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে এই ধরনের যোগদান স্থানীয় রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

 

Tuesday, February 24, 2026

বঙ্গে বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।

বঙ্গে বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। 
উত্তরের হাওয়া, ২৪ ফেব্রুয়ারি: রাজ্যে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করল ভারতের আবহাওয়া দপ্তর এর আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

নিম্নচাপজনিত পরিস্থিতির জেরে আবহাওয়ার এই পরিবর্তন বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

টিম ইন্ডিয়া ছাড়লেন রিঙ্কু সিং!

টিম ইন্ডিয়া ছাড়লেন রিঙ্কু সিং! 


উত্তরের হাওয়া, ২৪ ফেব্রুয়ারি: বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে গেলে বাকি ম্যাচগুলো জিততেই হবে ভারতকে। ঠিক এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েই বড় ধাক্কা খেল টিম ইন্ডিয়া। ব্যক্তিগত কারণে টিম ইন্ডিয়া ছাড়লেন রিংকু সিং।


জানা গিয়েছে, চেন্নাই থেকে সরাসরি বাড়ি ফিরে গিয়েছেন তিনি। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রিঙ্কুর বাবা খানচাঁদ সিং গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে গ্রেটার নয়ডার একটি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাবার শারীরিক অবস্থার কথা জানতে পেরেই দলের দায়িত্ব ছেড়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন রিঙ্কু।


আসন্ন জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে এই পরিস্থিতি ভারতীয় শিবিরে চাপ বাড়াতে পারে। মিডল অর্ডারে রিঙ্কুর উপস্থিতি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফলে তাঁকে না পেলে অধিনায়ক সূর্য কুমার যাদবদের কৌশলে পরিবর্তন আনতে হতে পারে।


এখন সকলের নজর রিঙ্কুর বাবার শারীরিক অবস্থার দিকে এবং কবে তিনি ফের দলে যোগ দিতে পারবেন, সেটাই বড় প্রশ্ন।

আধার ও মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য, SIR মামলায় স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

আধার ও মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য, SIR মামলায় স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
উত্তরের হাওয়া, ২৪ ফেব্রুয়ারি: SIR সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল Supreme Court of India। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, আধার কার্ড এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবে। মঙ্গলবারের শুনানিতে এই বিষয়টি ফের স্পষ্ট করা হয়।
আদালত জানায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট-অফ ডেট’ অনুযায়ী জমা পড়া নথিই গ্রহণ করা হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারির আগে জমা দেওয়া ডকুমেন্টস যাচাই করে গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি যে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে, তা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তালিকা হিসেবেই বিবেচিত হবে।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানান, ভিনরাজ্যের বিচারকদের সহায়তায় SIR প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসারকে নথির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে ERO ও AERO-দের ওপর। যাচাই প্রক্রিয়া চলবে নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি মেনে।

এদিন পশ্চিমবঙ্গে আধার জালিয়াতির প্রসঙ্গও ওঠে। আইনজীবী Ashwini Upadhyay সীমান্তবর্তী এলাকায় ভুয়ো আধার ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি Joymalya Bagchi মন্তব্য করেন, “এটা আমাদের প্ল্যাটফর্ম নয়। যদি সত্যিই এমন সমস্যা থাকে, তাহলে প্রাসঙ্গিক আইনে সংশোধনের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। আদালতকে বিদ্যমান আইন মেনেই চলতে হবে।”

শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ SIR প্রক্রিয়ায় বড় প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছে আইন মহল।

Monday, February 23, 2026

দক্ষিণ থেকে উত্তরবঙ্গ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ঝড়, বজ্রপাত ও বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি আবহাওয়া দপ্তরের।

দক্ষিণ থেকে উত্তরবঙ্গ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ঝড়, বজ্রপাত ও বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি আবহাওয়া দপ্তরের। 

উত্তরের হাওয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: ভরা বসন্তেই রাজ্যে ফের ঝড়বৃষ্টির ভ্রুকুটি। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের শুরুতেই একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল India Meteorological Department। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের অন্তত ১৫ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছে।


আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে একের পর এক নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় রাজ্যে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় নতুন নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে। পাশাপাশি পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও উত্তর-পশ্চিম ভারতে সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে রাজ্যের আবহাওয়ায়।

আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে বজ্রপাতের হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।

আগামিকাল কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান ও নদিয়ায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ ছয় জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়েও হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও সেখানে আপাতত কোনও সতর্কতা নেই। দু’দিনের এই বৃষ্টির জেরে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। মঙ্গলবারের পর ফের শুষ্ক আবহাওয়া ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

SIR এ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি ইস্যুতে জেলা বিচারকদের সঙ্গে বৈঠক প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের।

SIR এ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি ইস্যুতে জেলা বিচারকদের সঙ্গে বৈঠক প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের। 
উত্তরের হাওয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: SIR সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হল কোলকাতা হাই কোর্ট । এই বিষয়ে জেলা বিচারকদের সঙ্গে দফায় দফায় ভার্চুয়াল বৈঠক করছেন আদালতের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলায় SIR প্রক্রিয়ায় যে অসঙ্গতি ও প্রযুক্তিগত জটিলতা সামনে এসেছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এই ধারাবাহিক বৈঠক। বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন বলে আদালত সূত্রে খবর।

দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সিসি রাস্তা নির্মাণে স্বস্তি খারিজা রাখালমারিতে।

দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সিসি রাস্তা নির্মাণে স্বস্তি খারিজা রাখালমারিতে।
উত্তরের হাওয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিলদিনহাটা ১নং পঞ্চায়েত সমিতি। দিনহাটা ভিলেজ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের খারিজা রাখালমারি এলাকায় আলতাব মিয়ার বাড়ি থেকে ফণিভূষণ সরকারের বাড়ি পর্যন্ত সিমেন্ট কংক্রিট রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই রাস্তা পাকা করার। বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তা কাদায় পরিণত হয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হত গ্রামবাসীদের। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রী, কৃষক ও দৈনন্দিন কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হত। নতুন সিসি রাস্তা নির্মিত হলে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ডালিয়া চক্রবর্তী জানান, গ্রামীণ এলাকায় টেকসই পরিকাঠামো গড়ে তোলাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করে সাধারণ মানুষের হাতে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এলাকাবাসীর মতে, এই রাস্তা নির্মাণ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং সামগ্রিকভাবে গ্রামের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাড়ছে ভাইরাল ডায়রিয়া, রোটাভাইরাসে সতর্কতা ও সচেতনতা এখনই জরুরি।

বাড়ছে ভাইরাল ডায়রিয়া, রোটাভাইরাসে সতর্কতা ও সচেতনতা এখনই জরুরি।
উত্তরের হাওয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: রাজ্যজুড়ে গত কয়েক সপ্তাহে ভাইরাল ডায়রিয়ার সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, এই ডায়রিয়ার বড় অংশই রোটাভাইরাসজনিত। সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। কারণ তাদের শরীরে তরলের মজুত কম থাকায় খুব দ্রুত ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে পরিস্থিতি গুরুতর আকার নিতে পারে।
ভাইরাল ডায়রিয়ার প্রধান লক্ষণ হলো ঘন ঘন জলীয় পায়খানা। এর সঙ্গে বমি, জ্বর, পেটব্যথা, শরীরব্যথা এবং তীব্র দুর্বলতা দেখা যায়। বারবার পায়খানা ও বমির ফলে শরীর থেকে জল ও প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট বেরিয়ে যায়, যা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। শিশুদের ক্ষেত্রে চোখ বসে যাওয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব—এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
রোটাভাইরাস একটি আরএনএ ভাইরাস, তাই অ্যান্টিবায়োটিক এ ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। চিকিৎসার মূল ভরসা হলো শরীরে তরল ও লবণের ঘাটতি পূরণ করা। নিয়মিত ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ORS) খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে স্যালাইন দেওয়া হয়। পাশাপাশি হালকা, সহজপাচ্য খাবার যেমন ভাত, স্যুপ, ডাল, কলা ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে।
সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া, বিশুদ্ধ ও ফুটানো জল পান করা, খাবার ঢেকে রাখা এবং সঠিক স্যানিটেশন বজায় রাখা সংক্রমণ কমাতে বড় ভূমিকা রাখে।
অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ, ডায়রিয়া বা বমির লক্ষণ দেখলেই ঘরোয়া চিকিৎসায় সময় নষ্ট না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও হাইড্রেশনের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।

Sunday, February 22, 2026

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভোটার যাচাইয়ে হাইকোর্টের বিচারকদের চূড়ান্ত সিলমোহর বাধ্যতামূলক।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভোটার যাচাইয়ে হাইকোর্টের বিচারকদের চূড়ান্ত সিলমোহর বাধ্যতামূলক। 
উত্তরের হওয়া, ২২ ফেব্রুয়ারি: নথি যাচাইয়ে বিচারকদের সরাসরি ভূমিকা, অসংগতি রুখতে আসছে বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল।

ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা তথ্য সংশোধন নিয়ে কোনও কারচুপি হচ্ছে কি না—এই প্রশ্ন ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক টানাপড়েন চলছে। সেই জট কাটাতেই এবার সক্রিয় হচ্ছে বিচার বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশে শনিবার কলকাতা হাইকোর্ট-এ অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের নির্যাস হিসেবে সামনে এল এক অভিনব পদ্ধতি।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবার ভোটারদের জমা দেওয়া নথি এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পর্যবেক্ষণ খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিলমোহর দেবেন বিচারকেরাই। এই গোটা প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য তৈরি করা হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র ডিজিটাল পোর্টাল।

সিইও দফতর সূত্রে খবর, বিচারকদের নামের তালিকা পাওয়ার পর প্রত্যেকের জন্য আলাদা ‘লগ-ইন আইডি’ তৈরি হবে। নিরাপত্তার জন্য ওটিপি ভিত্তিক প্রবেশের ব্যবস্থাও থাকবে। পোর্টালে লগ-ইন করে সংশ্লিষ্ট বিচারক নিজের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিধানসভা এলাকা বেছে নেবেন। এরপর বুথভিত্তিক ‘পার্ট নম্বর’ নির্বাচন করলেই নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা ভোটারদের তালিকা দেখা যাবে।

স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি নামের পাশে থাকবে দুটি বিকল্প। প্রথমটিতে আবেদনকারীর ‘এনুমারেশন ফর্ম’ ও শুনানিতে জমা দেওয়া নথির বিস্তারিত দেখা যাবে। দ্বিতীয় বিকল্পে সংশ্লিষ্ট ইআরও, এইআরও, মাইক্রো অবজার্ভার ও বিএলও-দের মতামত ও স্ক্রুটিনির বিবরণ থাকবে।

সব তথ্য যাচাইয়ের পর বিচারক ‘রিজেক্ট’ বা ‘অ্যাকসেপ্ট’—দুটি পথের একটিতে সিদ্ধান্ত জানাবেন। তবে শুধু বোতাম টেপাই নয়, ‘কমেন্ট’ বক্সে লিখতে হবে তাঁর সুনির্দিষ্ট আইনি ও যৌক্তিক পর্যবেক্ষণও।

প্রশাসনিক মহলের মতে, বিচারকদের এই সরাসরি নজরদারি ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ক অনেকটাই কমাবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।


Saturday, February 21, 2026

দেশের ৩২ ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ University Grants Commission-র, পশ্চিমবঙ্গেও ২টি

দেশের ৩২ ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ University Grants Commission-র, পশ্চিমবঙ্গেও ২টি

উত্তরের হাওয়া, ২২ ফেব্রুয়ারি: উচ্চশিক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে দেশের ১২টি রাজ্যে চিহ্নিত ৩২টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল University Grants Commission (UGC)। গত দুই বছরে ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে ৩২ হওয়ায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে শিক্ষামহলে।
UGC স্পষ্ট জানিয়েছে, এই সংস্থাগুলি তাদের স্বীকৃত নয় এবং বৈধ ডিগ্রি প্রদানের কোনও অধিকার নেই। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের ভর্তি হওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানগুলির স্বীকৃতি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এবার যে ১২টি রাজ্যে ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজ মিলেছে, সেই তালিকায় রয়েছে হরিয়ানা, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, অরুণাচলপ্রদেশও। আগে কখনও এই সব রাজ্যে ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজ পাওয়া যায়নি। বেঙ্গালুরুর Global Human Peace University নামের একটি সংস্থা নিয়েও সকলকে সতর্ক করেছে UGC. ওই সংস্থার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার নেই বলে জানানো হয়েছে।

UGC যে ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে, তা দেখে নিন একঝলকে—

Christ New Testament Deemed University, অন্ধ্রপ্রদেশ

Bible Open University of India, অন্ধ্রপ্রদেশ

Indian Institute of Alternative Medicine, অরুণাচল প্রদেশ

World Peace of United Nations University, দিল্লি

Institute of Management and Engineering, দিল্লি

All India Institute of Public & Physical Health Sciences (AIIPHS), দিল্লি

Commercial University Ltd, দিল্লি

United Nations University, দিল্লি

Vocational University, দিল্লি

ADR-Centric Juridical University, দিল্লি

Indian Institute of Science and Engineering, দিল্লি

Viswakarma Open University for Self-Employment, দিল্লি

Adhyatmik Vishwavidyalaya (Spiritual University), দিল্লি  

Magic & Art University, হরিয়ানা

Daksha University (Vocational and Life Skill Education), ঝাড়খণ্ড

Sarva Bharatiya Shiksha Peeth, কর্নাটক

Global Human Peace University, কর্নাটক

International Islamic University of Prophetic Medicine (IIUPM), কেরল

St. John’s University, কেরল

Raja Arabic University, মহারাষ্ট্র

National Backward Krushi Vidyapeeth, মহারাষ্ট্র

National Institute of Management Solution, নয়াদিল্লি 

Mountain Institute of Management & Technology, নয়াদিল্লি

Usha Latchumanan College of Education, পুদুচ্চেরী

Sree Bodhi Academy of Higher Education, পুদুচ্চেরী

Rajeev Gandhi Institute of Technology & Management, রাজস্থান

Gandhi Hindi Vidyapith, উত্তরপ্রদেশ 

Netaji Subhash Chandra Bose University (Open University), উত্তরপ্রদেশ

Bhartiya Shiksha Parishad, Bharat Bhawan, উত্তরপ্রদেশ

Mahamaya Technical University, উত্তরপ্রদেশ 

Indian Institute of Alternative Medicine, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

Institute of Alternative Medicine and Research, ডায়মন্ড হারবার রোড, ঠাকুরপুকুর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

কিন্তু দেশে এত ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠছে কী ভাবে? শিক্ষাবিদদের মতে, সাত তাড়াতাড়ি ডিগ্রি, কম টাকা বেতন এবং ফ্লেক্সিবল কোর্সের টোপ দিয়েই পড়ুয়াদের ফাঁদে ফেলে এই সব সংস্থা। কিন্তু বাস্তবে তাদের না আছে উপযুক্ত পরিকাঠামো, না অধ্যাপক, না ভা গুণমানের শিক্ষা। আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে নিজেদের নাম জুড়ে আরও ফুলেফেঁপে উঠছে সেগুলি। পড়ুয়ারাও আসল-নকল ধরতে পারছেন না। 

নির্দিষ্ট সময় অন্তর ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করে UGC. কিন্তু নজরদারি চললে এভাবে ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে ওঠে কী করে? প্রশ্ন এড়ানো যাচ্ছে না। কারণ এতে সরাসরি সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ডিগ্রি বৈধ নয়। ফলে গাঁটের কড়ি খরচ করে ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করলেও, না তা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গৃহীত হবে, না গৃহীত হবে চাকরিতে। 


Friday, February 20, 2026

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত! চমকের ইঙ্গিত, বৈঠকে মমতা–অভিষেক।

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত! চমকের ইঙ্গিত, বৈঠকে মমতা–অভিষেক।
উত্তরের হাওয়া, ২০ ফেব্রুয়ারি: বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর জল্পনা। সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা কার্যত চূড়ান্ত। এই তালিকা নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Mamata Banerjee ও দলের ডেপুটি নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
দলীয় অন্দরের খবর, এবারের তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে। বাংলার এক জনপ্রিয় গায়িকা তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হতে পারেন বলে জল্পনা। পাশাপাশি সদ্য দলে যোগ দেওয়া এক অভিনেত্রীকেও প্রার্থী করা হতে পারে।
সূত্রের দাবি, নবীন মুখ তুলে আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কয়েকজন প্রবীণ নেতার টিকিট কাটা পড়তে পারে। তাঁদের সংগঠনের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।
এছাড়া, একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র বদল হতে পারে বলেও জল্পনা। কে কোন আসন থেকে লড়বেন, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল কৌতূহল।

বিধানসভা ভোটের আগে কোচবিহারে থানার অফিসারদের রদবদল।

 বিধানসভা ভোটের আগে কোচবিহারে থানার অফিসারদের রদবদল।



উত্তরের হাওয়া, ২০ ফেব্রুয়ারিঃ সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই কোচবিহার জেলা- একাধিক থানার অফিসারদের রদবদলের নির্দেশ জারি হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন একই থানায় কর্মরত অফিসারদের বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই এই রদবদল করা হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। ভোটের সময় নিরপেক্ষতা স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।



পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যেসব থানায় ভোটকে ঘিরে অতীতে স্পর্শকাতর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেসব জায়গায় বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের দ্রুত যোগদান করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে প্রশাসনিক স্তরে এই ধরনের রদবদল অস্বাভাবিক নয়। তবে নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে জেলায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

 

‘যুবসাথী’ ফর্মে এই ৫ ভুল একদমই নয়! না হলে আটকে যেতে পারে ভাতা।

 যুবসাথীফর্মে এই ভুল একদমই নয়! না হলে আটকে যেতে পারে ভাতা।



উত্তরের হাওয়া, ২০ ফেব্রুয়ারিঃ পশ্চিমবঙ্গে বেকার যুবকদের জন্যযুবসাথীপ্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে জানানো হয়েছে, যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি মাসে ,৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে নিয়ম না মানলে আবেদন বাতিল হতে পারে।



) পেশার ঘরেছাত্রনয়:
এই প্রকল্প শুধুমাত্র বেকারদের জন্য। তাই পেশার ঘরে ‘Student’ বাছাত্রলিখলে আবেদন খারিজ হতে পারে। অবশ্যই ‘Unemployed’ বাবেকারলিখতে হবে।

) নামপদবিতে গরমিল নয়:
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট বা সার্টিফিকেটে যেমন নাম আছে, হুবহু তেমনই লিখতে হবে। বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রেও মাধ্যমিকের নথির নামই প্রযোজ্য।



) বয়স গণনায় ভুল নয়:
২১৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে বয়স। এপ্রিল ২০২৬ অনুযায়ী পূর্ণ বছর হিসাব করে বয়স লিখতে হবে।

) শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিকভাবে:
বর্তমানে যে ক্লাসে পড়ছেন তা নয়, হাতে থাকা সর্বশেষ পাসের সার্টিফিকেট অনুযায়ী যোগ্যতা লিখতে হবে।

) ছবি স্বাক্ষরে ত্রুটি নয়:
ছবির উপর আড়াআড়ি সই (ক্রস সিগনেচার) বাধ্যতামূলক। সব নথিতে ‘Self-attested’ সই থাকতে হবে।

এছাড়া সচল মোবাইল নম্বর, আধার-লিঙ্কড DBT সক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরি। ফর্ম জমার পরদুয়ারে সরকাররেজিস্ট্রেশন নম্বরটি সংরক্ষণ করে রাখুন। সতর্ক থাকলেই মিলবে মাসিক ভাতা।

 

ডে শিফটের প্রথম দিনেই গরমে অসুস্থ পড়ুয়া। ফের মর্নিং শিফটের দাবিতে সরব ছাত্রছাত্রীরা।

ডে শিফটের প্রথম দিনেই গরমে অসুস্থ পড়ুয়া। ফের মর্নিং শিফটের দাবিতে সরব ছাত্রছাত্রীরা।  উত্তরের হাওয়া, ১ জুলাই: প্রায় এক মাস ম...